1ST WEEK CLASS-7
SUBJECT:Bangla
(STUDY
PROBD)
যোক্তিকতা নিরুপণ:
নিচে উল্লিখিত অংশটি সাধুরীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধর। ‘সংবাদ পাইলাম,
কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতিমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তা বাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে।
উত্তর:
সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:
১. সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ । যেমন : করিয়াছি, গিয়াছি।
২. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ । যেমন : তাহার, তাহারা, তাহাদের ।
৩. সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন : হইতে, দিয়া
৪. সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের (সংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি। যেমন : হস্ত, মস্তক, ঘৃত, ধৌত।
৫. সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগম্ভীর।
৬. সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী । এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় রচিত । অনুচ্ছেদটিতে ব্যবহৃত সবর্নাম, ক্রিয়াপদ, অব্যয় ও তৎসম শব্দগুলো নিম্নরূপঃ
সর্বনাম শব্দঃ তাহা
ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
অব্যযঃ সহিত, ইতিমধ্যে
তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ ক্ষুদ্র, হৃদয়।
সাধু ভাষার যোক্তিকতা নিরূপণঃ : আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ। ব্যবহৃত হয়। অনুচ্ছেদটিতেও সবর্নাম ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন: তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি ।সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় ।অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসগটি ব্যবহৃত হয়েছে ।এছাড়াও অনুচ্ছেদ এ কিছু তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যেগুলো দেখে আমরা বুঝতে পারি অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লেখা হয়েছে । সুতরাং যোক্তিকতা নিরূপণ করা হলো।
নিচে উল্লিখিত অংশটি সাধুরীতিতে রচিত। উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে তার যৌক্তিকতা তুলে ধর। ‘সংবাদ পাইলাম,
কাবুলিওয়ালার সহিত মিনির এই যে দ্বিতীয় সাক্ষাৎ তাহা নহে, ইতিমধ্যে সে প্রায় প্রত্যহ আসিয়া পেস্তা বাদাম ঘুষ দিয়া মিনির ক্ষুদ্র হৃদয়টুকু অনেকটা অধিকার করিয়া লইয়াছে।
উত্তর:
সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য:
১. সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ পূর্ণাঙ্গ । যেমন : করিয়াছি, গিয়াছি।
২. সাধু ভাষায় সর্বনাম পদের রূপ পূর্ণাঙ্গ । যেমন : তাহার, তাহারা, তাহাদের ।
৩. সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়। যেমন : হইতে, দিয়া
৪. সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের (সংস্কৃত শব্দ) প্রয়োগ বেশি। যেমন : হস্ত, মস্তক, ঘৃত, ধৌত।
৫. সাধু ভাষার উচ্চারণ গুরুগম্ভীর।
৬. সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরণের অনুসারী । এর কাঠামো সাধারণত অপরিবর্তনীয়।
উদ্দীপকের অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় রচিত । অনুচ্ছেদটিতে ব্যবহৃত সবর্নাম, ক্রিয়াপদ, অব্যয় ও তৎসম শব্দগুলো নিম্নরূপঃ
সর্বনাম শব্দঃ তাহা
ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
অব্যযঃ সহিত, ইতিমধ্যে
তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ ক্ষুদ্র, হৃদয়।
সাধু ভাষার যোক্তিকতা নিরূপণঃ : আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ। ব্যবহৃত হয়। অনুচ্ছেদটিতেও সবর্নাম ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন: তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি ।সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয় ।অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসগটি ব্যবহৃত হয়েছে ।এছাড়াও অনুচ্ছেদ এ কিছু তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে যেগুলো দেখে আমরা বুঝতে পারি অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লেখা হয়েছে । সুতরাং যোক্তিকতা নিরূপণ করা হলো।

0 Comments
Thanks for your viewing